চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙন: পাঁচ দিনে নদীগর্ভে ২০০ বাড়ি
গোলাম মোস্তফার বয়স ৭০ বছর। গত ১০ বছরে চার বার ভিটে মাটি হারিয়েছেন পদ্মায়। আশা ছিল, আর হয়তো পদ্মার রক্তচক্ষু পড়বে না তার ওপর। তাই…
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবাসিক ও শিল্পাঞ্চলের ভেতরে গড়ে উঠেছে দেশি মদের ভাটি বা দোকান। এসব ভাটিতে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা অবাধে মদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই এসব ভাটিতে মদ বিক্রি করা হচ্ছে। এতে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কিশোর-তরুণদের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে এবং মদের অর্থ জোগাড় করতে তারা চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, জেলায় তিনটি মদের দোকান বা ভাটি থাকলেও মোনা ঠাকুরের সদর উপজেলার বুলনপুর ও গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে মদ ভাটি গড়ে উঠেছে আবাসিক ও শিল্প এলাকায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা দিলেই যেকেউ পায় দেশি মদ। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই অবাধে বিক্রির ফলে কম বয়সি স্কুল-কলেজ পড়ুয়া কিশোর-তরুণরা জড়িয়ে পড়ছে মদ্যপানে। এসব এলাকার নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও বাড়ছে। হরহামেশাই ঘটছে ইভটিজিং, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা। এছাড়া সরকার নির্ধারিত ছুটির দিন এমনকি এই রমজানেও খোলা রাখা হচ্ছে মদের দোকানগুলো।
এ ব্যাপারে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বলেন, জেলায় অবাধ মাদক বিক্রি রোধে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কাজ করছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, অনুমতি বা পারমিট ছাড়া দেশি মদ বেচাকেনা করা হলে তা উদ্বেগ তৈরি করে এটাই স্বাভাবিক। তবে জেলা পুলিশ অবাধ মদের ব্যবহার রোধে কাজ করছে।
সংবাদসূত্র- বাংলাদেশ প্রতিদিন।।
স্বত্ব © চাঁপাইবার্তা.কম - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @Softs Cloud